আমি বোধ হয় একদিকে হেলে-থাকা মধ্যপন্থী। আর রাইসু যেদিকে ঝোঁকে সেদিকে বেশি করেই ঝোঁকে।
রাইসু বিষয়ক সতেরো
রাইসু ভাই ছাড়া বাকিদের ক্ষেত্রে আমার পর্যবেক্ষণ হল তারা মূলত বিভিন্ন সোর্স থেকে নানা জিনিস সংগ্রহ কইরা রিসাইকেল করে সেটা পোস্ট বা পাবলিশ করে থাকেন।
রাইসুকে যেভাবে দেখছেন
রাইসু কেমন, কী আচরণ তার, কী কী ভালো দিক তার, মানুষ হিসেবে সে কেমন—এইসব খুবই হালকা বস্তু।
ব্রাত্য রাইসু কী জিনিস?
রাইসু ত তার বুদ্ধিজীবিতা নিয়া সবার পক্ষে আছেন আবার কারো পক্ষে নাই থাকার মইধ্যে থাকতেছেন। ওরা ভাবে এইটা সুবিধাবাদী পজিশন।
সেইসব রাইসু
এরও আগে মনে পড়ে রাইসু অস্ট্রেলিয়া থাকতে (২০০৩-৪) অনলাইন ইয়াহু গ্রুপের মাধ্যমে ‘কবিসভা’র প্রবর্তন করে। পরে বাংলাদেশে ফিরার পরেও তাহা চলিতে থাকে।
রাইসুকে নিয়ে যৎসামান্য
তার চিন্তার বিপরীতে সমাজকে চিন্তার সুযোগ দিতে হবে। এত বছর লেখালেখির পর নিজের লেখাপত্রকে সুলভ করে রাখা ভালো।
চেনা, আধ-চেনা অথবা না-চেনা ব্রাত্য রাইসু
উনি যখন লাগাতার এই বিষয় নিয়াই লেখতে থাকে তখন এক ধরনের অভ্যস্ততা কাজ করে। আস্তে আস্তে বার্তার মধ্যে ঢুকতে থাকি।
রাইসুর আবির্ভাব
পরিচিতদের কেউ কেউ আমাকে প্রশ্ন করেছে, রাইসুকে কেন পছন্দ করি, আমি বলি—রাইসু সৎ এবং মৌলিক।
ভড়ং সর্বস্ব বাংলা আর্ট অ্যান্ড কালচারের হিসাব গুলিয়ে দেওয়ার ম্যাজিকের নাম ব্রাত্য রাইসু
বলে রাখা ভালো রাইসুর সঙ্গে আমি সমাজ-রাজনীতির নানা বিষয়েই সহমত নই। অবস্থান আলাদা।