Categories
বিষয় ব্রাত্য রাইসু

রাইসু—স্বাধীন সার্বভৌম

রাইসু, আপনার সম্পর্কে যতদূর পড়েছি, একেক জন একেক রকম বলে। এটাও বেশ ফ্যান্টাসটিক একটা ব্যাপার।

ফেসবুকীয় জীবনে এটাই আমার সবচেয়ে বড় লেখা। রাইসুর জন্য তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে।

রাইসু, যিনি নিজেই নিজেকে প্রতি মুহুর্তে এডিট করতে পারেন। এবং পৃথিবীতে তাঁকে এডিট করতে পারেন (বদলে দেওয়া অর্থে) এমন কারো বোধহয় জন্ম হয় নাই।

জন্ম হওয়ার দরকারও নাই।

ছবির রাইসুকে দেখতে কোনো ভাবেই পঞ্চাশ বলা যায় না। হি লুকস্ ভেরি ইয়াঙ্গার দ্যান হিজ এইজ। ‘মেন্টাল এইজ’ অর্থাৎ রাইসুর মানসিক বয়স যে কোনো কিছুই বলা যায়। ১১, ১৯, ২২, ২৭, ৪৩, ৬৫, ৭৬।  যে কোনো কিছু। কিন্তু ফিজিক্যালি হি লুকস্ ট্যু ইয়াঙ।

এইটা আমি। ছবিটায় আমি আমাকে দেখি। যখন ছবিটা আঁকা তখন রাইসু আমাকে চিনতেন না। কিন্তু নিশ্চয়ই কোনো সংযোগ ছিল।

অত্যন্ত মেধাবী রাইসু, যার আঁকা ছবি এক ধরনের ঘোর তৈরি করে। সব প্রতিভার মধ্যে আঁকা ছবির প্রতি আমি অনেক বেশি আকর্ষণ বোধ করি। না না তাঁর হাসি, তারপর আঁকা ছবি।

হি হি।

তারপর তাঁর বাণী এবং পরিশেষে কবিতা।

যদিও খুব বেশি কবিতা পড়া হয় নাই। পড়ব।

ভালো খারাপের ব্যাপারটা আপেক্ষিক হলেও প্রত্যেকেরই ভালো খারাপের ব্যাপারে এক ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি আছে। আমার মতে, যেই মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কারো ক্ষতি করে না সেই ভালো মানুষ। তাই আমার ধারণা ব্রাত্য রাইসু প্রচণ্ড রকমের ভালো মানুষ।

এবং তিনি কন্যাদের প্রেমে ফেলানোর অস্বাভাবিক ক্ষমতা নিয়ে জন্মগ্রহণ করছেন বা সেই ক্ষমতা নিজেই তৈরি করছেন। দুই-ই হইতে পারে।

তাহুয়া লাভিব তুরা

অারেকটা ব্যাপার হলো প্রভাবিত করা। তাঁর লেখা স্ট্যাটাস বিভিন্ন ভাবে অামাদের প্রভাবিত করে। যেমন তিনি বলছেন, “আমার অনেক বিষয়েই ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আছে—কারণ আমি মানুষ। দেবতা বা শয়তান না আমি।”

দলবদ্ধ হয়ে থাকা, অনুসরণ করা, অন্যকে দেখে বা তাঁর মত করে জীবনধারণ করা ইত্যাদি পশুপাখির স্বভাব। কিন্তু বেশিরভাগ লোকই তাই করে। রাইসু করেন না। এইজন্য তাঁকে এত বেশি পছন্দ। মানুষ তাঁর নিজের মতন চলবে এইটাই স্বাভাবিক ব্যাপার।

অামরা বিক্রেতা। অামরা তেল, মেধা, শ্রম, সাধনা, ভালবাসা ইত্যাদি বিক্রি করে থাকি। তাই সেইসব লোকদের অামি পছন্দ করি যারা এটা স্বীকার করেন। ব্রাত্য রাইসু সেই ব্যক্তিত্বের একজন। সম্ভবত তিনি একমাত্র একজন।

তাঁর এবং ফেসবুকের ঘনিষ্ঠ প্রেম আমাকে বিস্মিত করে। আমার বিস্মিত হবার ক্ষমতা নাই বললেই চলে। আমার  কিছুই ভাল্লাগে না। তাই সবসময়ই বেঁচে থাকার এবং ভাল্ লাগার কারণ খুঁজতে থাকি। সেইক্ষেত্রে প্রায় সাতশ কোটি ধরনের লোকের মধ্যে ব্রাত্য রাইসু এক ধরনের। যেই ধরনটা আমার খুব পছন্দ।

তাহুয়া লাভিব তুরা

যদিও শুধুমাত্র ফেসবুকীয় রাইসুকেই আমি চিনি। যিনি তাঁর পঞ্চাশ নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত।

যা বলতে চাই বা মাথায় ঘুরে তা আমি কোনোদিনই গুছিয়ে লিখতে পারি না। তবুও লিখছি। ভবিষ্যতে এত বড় লেখা কখনো লিখতে পারব কিনা সেটাও জানি না।

রাইসু, অাপনার সম্পর্কে যতদূর পড়েছি, একেক জন একেক রকম বলে। এটাও বেশ ফ্যান্টাসটিক একটা ব্যাপার। কিন্তু আপনার লেখা এবং আপনার সম্পর্কিত অন্যান্য লোকের লেখা পইড়া মনে হচ্ছে আপনি দারুণ একজন মানুষ। সবাই বলছে আপনাকে ছকে ফেলা যায় না। কথাটা হয়ত ঠিক। কিন্তু তারপরেও আপনাকে নিঃসন্দেহে যে কোনো ভালোর ছকে রাখা যায়।

আপনার সাথে ভার্চুয়াল রিলেশান হওয়াটাও আমার জন্যে একটা বিরাট ব্যাপার রাইসু।

আপনার জন্যে এটা কোনো ব্যাপারই না। ব্যাপার হওয়ারও কথা না। কিন্তু আমি খুব খুশি। খুব খুশি।

আপনার মেধা, প্রতিভা, দাঁত, চোখ, চুল, হাসি, আঁকা ছবি ইত্যাদি সবই পছন্দ। পঞ্চাশ সংখ্যাটা আপনার পছন্দ অনুযায়ী একটা সংখ্যায় গিয়ে পৌঁছাক এই কামনা থাকল।

পঞ্চাশ এবং ব্রাত্য রাইসু।

ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *